টাঙ্গাইল শহরের কান্দাপাড়া রোডে তিনটি বিরিয়ানি দোকানে বাসি ও দুর্গন্ধযুক্ত মাংস ব্যবহার, নোংরা রান্নাঘর এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার প্রস্তুতের অভিযোগে মালিক জহিরুল ইসলামকে দুই লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল। অভিযানে দেখা যায় একই মালিকানাধীন হাজী বিরানি, কাচ্চি খাদক এবং হানিফ কাচ্চি বিরানি–র রান্নাঘরে দীর্ঘদিনের জমে থাকা বাসি মাংস নতুন খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল।
ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর এটিকে ভোক্তা প্রতারণা হিসেবে চিহ্নিত করে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়। অভিযানকালে নষ্ট মাংস ধ্বংস করা হয় এবং দোকানগুলোকে সতর্ক করা হয় যাতে মানসম্মত পরিবেশ ছাড়া কোনো খাবার পরিবেশন না করা হয়।
সহকারী পরিচালক রোমেল বলেন, “বাসি ও দুর্গন্ধযুক্ত খাবার নতুন রান্নার সঙ্গে মিশিয়ে গ্রাহকদের খাওয়ানো সরাসরি প্রতারণা। স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে এমন পরিবেশে খাবার উৎপাদন কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। নিয়ম ভঙ্গের দায়ে নির্ধারিত আইন অনুযায়ী দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
অভিযানের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সেনেটারি ইন্সপেক্টর সাহিদ আক্তার, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জ্বল, পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে।