জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অফিস সহায়ক পদে লিখিত পরীক্ষায় প্রক্সি ব্যবহার করে পাস করা দুই প্রার্থীকে মৌখিক পরীক্ষার সময় ধরা পড়েছে। ভাইভা বোর্ডে এসে তারা স্বীকার করেন, লিখিত পরীক্ষা নিজে দেয়নি।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত মৌখিক পরীক্ষার সময় হাতের লেখার সঙ্গে লিখিত পরীক্ষার খাতার লেখার মিল যাচাই করা হয়। অমিল লক্ষ্য করলে পরীক্ষার্থী দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা স্বীকার করেন যে, তাদের লিখিত পরীক্ষা অন্য কেউ দিয়েছেন এবং তারা তা পাস করেছেন।
ধরা পড়া পরীক্ষার্থীরা হলেন– ডোমার উপজেলার ভোগডাবুড়ি চিলাহাটি এলাকার মো. হৃদয় ইসলাম (১৯) এবং ডিমলা উপজেলার সুন্দরখাতা বালাপাড়া এলাকার মো. বাবুল হোসেন (৩০)।
জানা গেছে, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। অফিস সহায়ক পদে ৪২টি শূন্যপদের বিপরীতে ১৩০ জন, নিরাপত্তা প্রহরী পদে ৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৯ জন এবং পরিচ্ছন্নতা কর্মী পদে ১ জনের বিপরীতে ৩ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন।
জেলা প্রশাসক মো. নায়িরুজ্জামান জানিয়েছেন, দুই পরীক্ষার্থীকে জেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান। তিনি সতর্ক করেন, ভবিষ্যতে সকল প্রার্থীকে নিজের প্রচেষ্টা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে পরীক্ষা দিতে হবে; প্রক্সি ব্যবহার করা হলে কঠোর শাস্তি ভোগ করতে হবে।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসনও সতর্কীকরণ জানিয়েছে যে, লিখিত পরীক্ষায় অনৈতিক প্রক্রিয়া প্রয়োগ করলে প্রার্থীর ভবিষ্যৎ চাকরি ও সুযোগ সংকুচিত হবে।