দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর সোনামসজিদ দিয়ে আবারও বড় পরিমাণ ভারতীয় পেঁয়াজ এসেছে। সোমবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ট্রাকে ৪১৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় বাজারে স্থিতিশীলতার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

সোনামসজিদ উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক সমীর চন্দ্র ঘোষ রাত ৯টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “সারাদিনে মোট ৪১৯ টন পেঁয়াজ এসেছে। একই দিনে ১০ জন আমদানিকারকের বিপরীতে আমরা ২৭টি আইপি ইস্যু করেছি, যার মাধ্যমে আরও ২৯৯ টন পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।”

বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক মাঈনুল ইসলাম জানান, সকালে প্রথম ট্রাক ঢোকার পর থেকেই একের পর এক ভারতীয় ট্রাক পেঁয়াজ নিয়ে বন্দরে আসতে থাকে। তিনি বলেন, “বিভিন্ন আমদানিকারক পৃথকভাবে এই চালানগুলো এনেছেন। বাজারে যোগান বজায় রাখতে এ আমদানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

এর আগে সীমিত পরিসরে পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। সেই অনুমতির ভিত্তিতে সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে আগেই ৩০ জন ব্যবসায়ীর জন্য ৩০টি আইপি ইস্যু করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে সার্বিকভাবে ৯০০ টন পেঁয়াজ আমদানির ছাড়পত্র দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গতকাল দুই ব্যবসায়ী ৬০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি করেন—যা নতুন চালানের আগমনকে আরও ত্বরান্বিত করেছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৯ সেপ্টেম্বর ভারত থেকে সর্বশেষ বড় আকারে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। এরপর দীর্ঘ বিরতির পর আবার আমদানির সুযোগ পেয়ে সোনামসজিদ বন্দর দিয়ে ব্যবসায়ীদের কার্যক্রম জোরদার হয়েছে।

আমদানিকারকদের প্রত্যাশা, নতুন চালানগুলো বাজারে পৌঁছালে পাইকারি ও খুচরা দুই বাজারেই পেঁয়াজের দাম আরও স্থিতিশীল হবে। বন্দর কর্তৃপক্ষও জানিয়েছে, আমদানি কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।