ঝলমলে রোদ থাকলেও পঞ্চগড় জেলার ওপর দিয়ে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের প্রকোপ পুরোপুরি কাটেনি। সকালে সূর্যের দেখা মিললেও ঠান্ডা বাতাসে জনজীবনে শীতের প্রভাব এখনো স্পষ্টভাবে অনুভূত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯১ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। ভোরে কুয়াশা না থাকায় সকাল থেকেই ঝলমলে রোদ দেখা যায়। এতে জনজীবনে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও হিমেল বাতাসে শীতের অনুভূতি বজায় রয়েছে।

এর আগের দিন সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯২ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেছিল ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, রোববার (১১ জানুয়ারি) তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে আসে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি শীত মৌসুমে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছিল ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, যা এ মৌসুমের সর্বনিম্ন।

তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা চলছে এবং আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এখানেই রেকর্ড করা হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী কয়েক দিন এই শীতের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।