বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা বেতার শিল্পী সারথির ব্যানারে বাংলাদেশ বেতার খুলনা কার্যালয়ের সামনে এ কর্মসূচিতে যোগ দেন শতাধিক শিল্পী।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালে ৫ই আগস্ট খুলনা বেতার ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর থেকে বেতারের গীতিকার, সুরকার, কণ্ঠ, নাট্য, যন্ত্র শিল্পী ও ঘোষক-ঘোষিকা, সংবাদ পাঠক পাঠিকা কথক-কথিকা নাট্যকারসহ মোট প্রায় তিন হাজার শিল্পী সবাই বেকার জীবনযাপন করছেন। সেই সঙ্গে জড়িত রয়েছে তাদের পরিবারের কয়েক হাজার সদস্য। আমাদের বেতারের দুটো স্টুডিও বর্তমান চালু রয়েছে। শুধু টাকা না থাকায় শিল্পীরা অনুষ্ঠান করতে পারছে না।
আরবিগত ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে যে পরিমাণ টাকা খুলনা বেতারে এসেছিল তা থেকেও কর্তন করে টাকা ঢাকার প্রধান কার্যালয়ে ফেরত নিয়ে গেছে। অতিদ্রুত সেই টাকা ফেরত দেওয়াসহ সকল কার্যক্রম চালু না করলে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন শিল্পীরা।