রোববার (৩০ নভেম্বর) বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল জানান, স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম গত বৃহস্পতিবার রাতে নকল ওষুধ বিক্রির অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরই ওইদিন রাতেই লাজফার্মায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহজনক বেশ কিছু ওষুধ জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত শেষে ওষুধগুলো নকল প্রমাণিত হলে ভোক্তা অধিদপ্তর আইন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটিকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল বলেন, জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ায় নকল ওষুধের বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই অভিযান পরিচালনা করে ওষুধ জব্দ করা হয় এবং ল্যাব পরীক্ষায় নকল প্রমাণিত হওয়ায় জরিমানা করা হয়েছে।
এদিকে জরিমানা করা হলে লাজফার্মার পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘আমাদের সাপ্লাইকারী প্রতিনিধি প্রতারণা করেছে। ভুলবশত এসব ওষুধ দোকানে এসেছে। এজন্য আমরা জরিমানা দিয়েছি।’
অভিযানে সহযোগীতা করেন সেনাবাহিনী,পুলিশ ও ড্রাগ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।