দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি কমেছে প্রধান মূল্যসূচক। তবে অন্য দুটি সূচক বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ।
অপর পুঁজিবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ফলে এ বাজারটিতে মূল্যসূচক বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়েছে লেনদেনের পরিমাণ। এর মাধ্যমে সিএসইতে টানা তিন কার্যদিবস মূল্যসূচক বাড়ল।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১২৯টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ২২৭টির। আর ৩০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দরপতন হওয়ায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ১৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। অন্য দুই সূচকের মধ্যে ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আর বাছাই করা ভালো ৩০ কোম্পানি নিয়ে গঠিত ডিএসই-৩০ সূচক আগের দিনের তুলনায় ৬ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ৯৩২ পয়েন্টে উঠে এসেছে।
বেশিরভাগ শেয়ার ও ইউনিটের দরপতন হলেও ডিএসইতে আজ লেনদেনের পরিমাণ সামান্য বেড়েছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ৬৩৬ কোটি ৩৮ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৬৩৫ কোটি ৯৫ টাকা। এ হিসাবে আগের কার্যদিবসের তুলনায় লেনদেন বেড়েছে ৩৩ লাখ টাকা।
এ লেনদেনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগের শেয়ার। কোম্পানিটির ২৮ কোটি ১৪ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে থাকা শাহজিবাজার পাওয়ারের শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২০ কোটি ৭৭ লাখ টাকার। ১৭ কোটি ৭৬ টাকার শেয়ার লেনদেনের মাধ্যমে তৃতীয় স্থানে রয়েছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং।
অপর পুঁজিবাজার সিএসইর সার্বিক মূল্যসূচক সিএএসপিআই বেড়েছে ১১৪ পয়েন্ট। বাজারটিতে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৯৩ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১২৫টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫৩টির এবং ১৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেন হয়েছে ২১ কোটি ৯০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ১৯ কোটি ৩০ লাখ টাকা।