বড় প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়ে হোঁচট খাওয়া ব্যাংকখাত বরাবরই এসএমই বিমুখ। ফলে ২০২৪ সালে এসএমই খাতে ১৯ দশমিক ১২ শতাংশ থেকে ২০২৫ সালে ঋণ ছাড় কমে আসে ১৭ দশমিক ৬৮ শতাংশে।
সোনালী ব্যাংকের এবার ঋণ ছাড় গত বছরের তুলনায় ১ শতাংশ কম। রূপালী ও জনতা ব্যাংকের ঋণ ছাড় মোট ঋণের ১১ থেকে ১২ শতাংশ। ৬২ শতাংশ ও ২৫ শতাংশ ঋণ ছাড় দিয়ে সর্বোচ্চ তালিকায় আছে বেসিক ব্যাংক ও বিডিবিএল। বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকে এবার একটি মাত্র ব্যাংক দিয়েছে ৪০ শতাংশ।
এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন,
তেলা মাথায় তেল দেয়ার প্রবণতা দেখছি এসএমই খাতে আরও বেশি। ৭০ শতাংশ এসএমইর অবস্থান হলো শহরতলী এলাকার। ওইসব এলাকার উদ্যোক্তারা সহায়তা পাচ্ছেন না।
একদিকে উদ্যোক্তাদের অভিযোগ পর্যাপ্ত অর্থ সহায়তার অভাব। অন্যদিকে ব্যাংকের উদ্যোক্তা খুঁজে না পাওয়ার অজুহাত এবার শুনতে নারাজ কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, করপোরেট গ্রাহকদের ক্ষেত্রে তিক্ত অভিজ্ঞতাই বেশি। তবে এসএমই খাতে ফোকাসটা শিফট করা উচিত।
তবে এবার ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে যেসব প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেয়া হবে, তাদের প্রান্তিকে পৌঁছানোর সক্ষমতাকেও বিবেচনায় নেয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।