দেশে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যবসা-বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ দ্রুত ও কার্যকরভাবে সমাধানের কাঙ্ক্ষিত সংস্কৃতি এখনও গড়ে ওঠেনি বলে মনে করছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)। যদিও আইনত অর্থঋণ আদালত এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি আইনের মতো কাঠামো রয়েছে, বাস্তবায়নের সীমাবদ্ধতা এবং অপ্রতুল কার্যকারিতার কারণে ব্যবসায়িক বিরোধ দ্রুত সমাধান হয় না।

গত ২৪ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ এ বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ-২০২৫-এর সাম্প্রতিক অনুমোদন এই প্রেক্ষাপটে সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এটি অর্থনীতিতে আরও শক্তিশালী এবং দক্ষ বিরোধ নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।”

তাসকীন আহমেদ আরও যোগ করেন, বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশে পরিবর্তনশীলতার কারণে দ্রুত এবং কার্যকরী বিরোধ সমাধি নিশ্চিত করা ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নের জন্য অগ্রাধিকারপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি প্রধান বিচারপতির ডিজিটালাইজেশন, সুপ্রিম জুডিশিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল গঠন এবং আদালতের স্বাধীকার উন্নয়নের উদ্যোগের প্রশংসা করেন।

প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ জানান, “বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশকে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর করা প্রয়োজন। বেসরকারিখাতকে সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাতে হবে, যাতে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য উন্নয়ন সহজ হয়।” তিনি ডিসিসিআইকে ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের শক্তিশালী কণ্ঠস্বর হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে ভবিষ্যতে যৌথ উদ্যোগে আরও ফলপ্রসূ কর্মকাণ্ডের আশা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকারে ডিসিসিআইর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এএইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান এবং মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন।