বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রের স্মরণসভায় অনুপস্থিত ছিলেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী হেমা মালিনী এবং দুই মেয়ে অহনা ও এশা দেওল। ২৪ নভেম্বর ধর্মেন্দ্রের মৃত্যু হলেও তার মৃত্যুর খবর শেষকৃত্যের আগে গোপন রাখা হয়েছিল। পরে বৃহস্পতিবার সানি ও ববি দেওলের উদ্যোগে আয়োজিত স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন বলিউডের বড় তারকারা, ধর্মেন্দ্রের প্রথম স্ত্রী প্রকাশ কৌর এবং সানি-ববির দুই বোন অজিতা ও বিজয়েতা।
হেমা মালিনীর অনুপস্থিতি নিয়ে সামাজিক ও মিডিয়ার আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। তবে পরে অভিনেতার সহকর্মী গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজা জানান, হেমা মালিনী নিজেই তার বাড়িতে আলাদা করে ধর্মেন্দ্রের জন্য পূজা ও গীতাপাঠের আয়োজন করেছিলেন। তিনি পরিবারে অশান্তি সৃষ্টি না করতে সচেষ্ট ছিলেন।
জানা যায়, ধর্মেন্দ্র ও হেমা মালিনীর সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন আলোচনা চলছিল। শেষ সময়ে ধর্মেন্দ্র মূলত প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন, তবে মাঝে মাঝে হেমা মালিনীর সঙ্গেও সময় কাটাতেন। পাঞ্জাবের বাড়িতে হেমা মালিনীর যাতায়াতও সীমিত ছিল, যা ভারতের সংবাদমাধ্যমেও উল্লেখ করা হয়েছে।
হেমা মালিনী আগেও জানিয়েছিলেন, তিনি কখনও কারও জীবনে অশান্তির কারণ হতে চান না। পরিবারের স্বাচ্ছন্দ্য বজায় রাখতে প্রয়োজনে তিনি নিজে সরে দাঁড়ান। এই অবস্থানই স্মরণসভায় তার অনুপস্থিতির পেছনে প্রাধান্য পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ধর্মেন্দ্রর শেষকৃত্য ও স্মরণসভা পরিবারে সংযম ও সম্মান বজায় রাখতে আয়োজন করা হলেও মিডিয়া ও সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। দর্শকরা হেমা–দেওল পরিবারের সম্পর্ক ও স্মরণসভায় অনুপস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য করছেন।
এভাবে ধর্মেন্দ্রের প্রয়াণের সময় পরিবারের ভিন্ন ভিন্ন উপস্থিতি এবং ব্যক্তিগত আয়োজন নতুনভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যা বলিউডের ইতিহাসে স্মরণীয় ঘটনা হিসেবে থাকবে।