হলিউডের আলোচিত তরুণ অভিনেত্রী সিডনি সুইনি সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের কাজের সামাজিক দায়বদ্ধতা নিয়েও আলোচনায় এসেছেন। ‘দ্য হাউসমেড’ ও ‘ক্রিস্টি’—এই দুই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তিনি বর্তমান সময়ের কিছু গভীর ও ভয়াবহ সামাজিক সমস্যাকে পর্দায় তুলে ধরেছেন। সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সুইনি জানান, ভবিষ্যতে এমন সিনেমা নির্মাণ ও অভিনয় করতে চান, যা শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং মানুষের জীবন বাঁচাতেও ভূমিকা রাখবে।
২৮ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীর মতে, ঘরোয়া সহিংসতা, গৃহকর্মীদের ওপর নির্যাতন এবং নারীর নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো আজকের সমাজে ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এসব ইস্যু এড়িয়ে যাওয়ার পরিবর্তে সাহসের সঙ্গে আলোচনায় আনা জরুরি। সে কারণেই তিনি এমন গল্প বেছে নিচ্ছেন, যেখানে বাস্তব জীবনের কঠিন সত্য তুলে ধরার সুযোগ থাকে।
সুইনি বলেন, “এই ধরনের সিনেমার মাধ্যমে গুরুতর সামাজিক সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলা যায়। এগুলো নিয়ে আলোচনা হওয়া দরকার। আমি চাই এমন গল্পে কাজ করতে, যা মানুষকে সচেতন করবে, সহানুভূতিশীল করে তুলবে এবং প্রয়োজনে কাউকে বিপদ থেকে রক্ষা করতেও সাহায্য করবে।”
‘দ্য হাউসমেড’ সিনেমায় সুইনি অভিনয় করছেন মিলি ক্যালোওয়ে চরিত্রে। ছবিটি ২০২২ সালে প্রকাশিত ফ্রেইডা ম্যাকফ্যাডেনের জনপ্রিয় বেস্টসেলার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। বইটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুল পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করেছিল, যা সিনেমাটির প্রতি দর্শকের আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।
এই সিনেমায় সুইনির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আমান্ডা সেফ্রিড ও ব্র্যান্ডন স্ক্লেনার। চেহারার মিল এবং চরিত্রের গভীরতা বিবেচনায় সুইনি ও সেফ্রিডকে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে নির্বাচন করা হয়েছে।
সমালোচকদের মতে, সিডনি সুইনি ধীরে ধীরে নিজেকে কেবল জনপ্রিয় অভিনেত্রী নয়, বরং অর্থবহ ও সামাজিকভাবে প্রভাবশালী সিনেমার একজন মুখপাত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।