বলিউডে তিনি ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট এই পরিচয়টাই যেন আমির খানকে আলাদা করে তুলে। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি দর্শকদের উপহার দিয়েছেন একের পর এক বৈচিত্র্যময় চরিত্র। তবে এই খ্যাতি কীভাবে অর্জন করেছেন, সে বিষয়ে নিজেই দ্বিধায় রয়েছেন অভিনেতা-প্রযোজক আমির। সম্প্রতি পিটিআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের ক্যারিয়ার, ছবি বাছাই ও তারকা হয়ে ওঠা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি।
আমির বলেন, “সত্যি বললে, আমি জানি না কীভাবে তারকা হয়ে উঠলাম। প্রচলিত নিয়মকানুন মানিনি কখনোই। নিজের মতো করে কাজ করেছি। তাই এত ভালোবাসা ও সাফল্য পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ।”
তিনি জানান, তার ক্যারিয়ারের বেশিরভাগ সিদ্ধান্তই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। “‘লগান’ মুক্তির আগে কেউই নিশ্চিত ছিল না দর্শকরা এমন গল্প গ্রহণ করবেন কি না। একই কথা ‘সরফরোশ’ বা ‘দিল চাহতা হ্যায়’-এর ক্ষেত্রেও সত্য। প্রতিটি প্রকল্পই ছিল পরীক্ষার মতো। পরে ‘সিতারে জমিন পর’ এগুলো বেছে নেওয়ার পেছনে কোনো ক্যালকুলেশন ছিল না; ছিল শুধু ভালো লাগা।”
নিজেকে একই ধারায় সীমাবদ্ধ না রাখার প্রবণতা তার অন্যতম শক্তি বলে মনে করেন আমির। “আমি একই জিনিস বারবার করতে পারি না। আমার ব্যক্তিত্ব ও অনুভূতি যেসব গল্পের সঙ্গে মিল খায়, সেগুলোই বেছে নিই। যে স্ক্রিপ্ট আমাকে উত্তেজিত করে, তাতেই কাজ করি।”
সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে আমির অভিনীত ‘সিতারে জমিন পর’, যা ২০০৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ছবি ‘তারে জমিন পর’-এর সিক্যুয়েল। জেনেলিয়া ডি’সুজার সঙ্গে অভিনীত এই চলচ্চিত্রটি দর্শকদের ভালো সাড়া পেয়েছে।
বহু দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে আমির খান প্রমাণ করেছেন—সাহস নিয়ে ভিন্ন পথে হাঁটলে সাফল্য আসবেই। আর তাই তিনি আজও অন্যদের থেকে আলাদা, নিজের মতো করে চলার জন্যই।