বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আলোচনায় ঘনিষ্ঠ একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে—চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র-কাতার প্রতিরক্ষা সহযোগিতার আদলে হতে পারে। এতে রিয়াদের নিরাপত্তায় ওয়াশিংটনের প্রত্যক্ষ ভূমিকা থাকবে।

এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, “ক্রাউন প্রিন্সের সফরকালে স্বাক্ষর হতে পারে এমন আলোচনা চলছে, যদিও বিস্তারিত এখনো চূড়ান্ত নয়।”

সৌদি আরব দীর্ঘদিন ধরেই যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও আধুনিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চেয়ে আসছে। ওয়াশিংটনও তেলসমৃদ্ধ এই দেশটির সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ দেখাচ্ছে।

ফিনান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, আলোচনাধীন চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মতো পারস্পরিক প্রতিরক্ষা নিশ্চয়তার অন্তর্ভুক্ত হবে, যেখানে সৌদি আরবের ওপর হামলা হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বলেছে, “রিয়াদের সঙ্গে আমাদের নিরাপত্তা সহযোগিতা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

গত মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তির পর সৌদি আরব এখন যুক্তরাষ্ট্রকেও অংশীদার হিসেবে যুক্ত করতে চায়, যাতে ইরান ও আঞ্চলিক হুমকির মোকাবিলায় আরও দৃঢ় অবস্থান তৈরি হয়।

চুক্তি চূড়ান্ত হলে এটি হবে সৌদি ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা জোট।