সুইডিশ পরিবেশকর্মী ও মানবাধিকার নেতা গ্রেটা থুনবার্গকে যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি ঘটেছে ফিলিস্তিন সমর্থক “প্যালেস্টাইন অ্যাকশন” গ্রুপের বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার সময়। গ্রেটাকে হাতে একটি প্ল্যাকার্ড ধরা অবস্থায় দেখা যায়, যেখানে লেখা ছিল, “আমি প্যালেস্টাইন অ্যাকশন প্রিজনারকে সমর্থন করি এবং গণহত্যার বিরোধীতা করি।”

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) মধ্য লন্ডনের আসপেন ইন্সুরেন্স অফিসের বাইরে বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। গ্রেটা এই বিক্ষোভে যোগ দেন এবং অন্যান্য সমর্থকদের সঙ্গে অবস্থান নেন।

লন্ডন সিটি পুলিশ গ্রেটার নাম উচ্চারণ না করে জানায়, ২২ বছর বয়সী এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, নিষিদ্ধ সংগঠনের সমর্থনসূচক প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনের কারণে তাকে আটক করা হয়েছে।

জুলাই মাস থেকে যুক্তরাজ্যে “প্যালেস্টাইন অ্যাকশন” গ্রুপকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এরপর থেকে গ্রুপের সমর্থকরা যে কোনো প্রকাশ্য বিক্ষোভে অংশ নিলে তাদের মধ্যে কয়েকশজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

মহামানব ও পরিবেশকর্মী হিসেবে বিশ্বব্যাপী পরিচিত গ্রেটার এই গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আলোচনা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন সম্পর্কিত আইন কঠোরভাবে প্রয়োগের কারণে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।

গ্রেপ্তারের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা ও সমর্থনের মতামত মিলিত হচ্ছে। অনেকে মনে করছেন, গ্রেটার এই ধরনের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

এই ঘটনার পর যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোও নতুনভাবে আলোচনায় এসেছে। সমালোচকরা দাবি করছেন, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের সুযোগ সুরক্ষিত রাখা উচিত, বিশেষ করে এমন বিষয়গুলোতে যেখানে মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সহানুভূতির বিষয় জড়িত।