যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসনবিরোধী নীতি আরও কঠোর করার জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রোববার একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন, যার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর বাজেট বিপুল পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ট্রাম্পের এই আদেশের মাধ্যমে ইউএস ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) এবং কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (সিবিপি) আগামী তিন বছরের জন্য মোট প্রায় ১৭ হাজার কোটি ডলার বরাদ্দ পাচ্ছে। এই অর্থ বরাদ্দের সময়কাল ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর হবে।

এটি বর্তমান অর্থবছর ২০২৫–২৬-এ দুই সংস্থাকে বরাদ্দ দেওয়া ১ হাজার ৯০০ কোটি ডলার থেকে এক বিরাট বৃদ্ধি। নতুন নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, আগামী তিন বছরে প্রতি বছর ৫ হাজার ৬০০ কোটি ডলারেরও বেশি বরাদ্দ থাকবে আইসিই ও সিবিপির জন্য।

বিশ্লেষকদের মতে, এই বাজেট বৃদ্ধি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নকে আরও শক্তিশালী করবে। বিশেষত সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, অভিযানের সংখ্যা বৃদ্ধি, এবং অভিবাসন বিরোধী কার্যক্রমে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা বলেছেন, “আমরা অভিবাসন নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। এই বাজেট আমাদের সংস্থাগুলোকে আরও কার্যকরভাবে সীমান্তে নজরদারি এবং অভিযানের সুযোগ দেবে।”

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, অর্থ বরাদ্দ বৃদ্ধির ফলে অভিবাসন নীতি কঠোর হলেও সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে এটি বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে মানবাধিকার বিষয়ক সংস্থাগুলো ইতোমধ্যেই এই বাজেট বৃদ্ধিকে সমালোচনা করেছে।

এই পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি ও নিরাপত্তা নীতি উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য হলো আইসিই এবং সিবিপি কার্যক্রমকে সম্প্রসারিত করা এবং সীমান্তে আরও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ নিশ্চিত করা।