বিহারে সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট ভূমিধস জয় পাওয়ায় নতুন বিধানসভায় মুসলিম বিধায়কের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়ে নব্বইয়ের পর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর অনুযায়ী, এবার মুসলিম বিধায়কের সংখ্যা কমে মাত্র ১০ জনে ঠেকেছে।
২০২২-২৩ সালের রাজ্য জরিপ অনুসারে, বিহারের ১৩ কোটি সাত লাখ জনসংখ্যার মধ্যে মুসলিম সম্প্রদায় ১৭.৭ শতাংশ। এত বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠী থাকা সত্ত্বেও বিধানসভায় তাদের প্রতিনিধিত্ব কমে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
২০২০ সালের নির্বাচনের তুলনায় এবার বিরোধী জোট এবং এনডিএ উভয় পক্ষই কম মুসলিম প্রার্থী দিয়েছিল, যা প্রতিনিধি হ্রাসে সরাসরি অবদান রেখেছে। ওয়াইসির দল ও লালু প্রসাদের আরজেডি মহাজোটে অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় আসাদুদ্দিন ওয়াইসির দল এআইএমআইএম (AIMIM) ২৫টি আসনের মধ্যে মাত্র পাঁচটি আসনে জয়লাভ করেছে। দলটি ২০২০ সালের নির্বাচনেও এই পাঁচটি আসনেই জয় পেয়েছিল, যা সবই মুসলিম অধ্যুষিত সীমাঞ্চল অঞ্চলে অবস্থিত। নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জেডি(ইউ) মাত্র চারজন মুসলিম প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছিল। বিদায়ী মন্ত্রিসভার সদস্য মোহাম্মদ জামা খান তাঁর চৈনপুর আসন থেকে এগিয়ে ছিলেন।
সীমাঞ্চল অঞ্চলে কংগ্রেস তাদের ২০২০ সালের ফলাফল ধরে রেখেছে। কিষাণগঞ্জ ও আরারিয়া আসনে যথাক্রমে মোহাম্মদ কামরুল হোদা এবং আবিদুর রহমান জয়লাভ করেছেন। তবে, কংগ্রেসের সিএলপি নেতা শাকিল আহমেদ খান তাঁর আসনে জেডিইউর দুলাল চন্দ্র গোস্বামীর কাছে পরাজিত হন।
ইএফ/