তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়েছে আঞ্চলিক দুই শক্তি চীন এবং জাপানের মধ্যে। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) চীনা প্রতিরক্ষা দফতর জাপানকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাইওয়ান পরিস্থিতি নিয়ে ‘নাক গলানো বন্ধ’ না করলে টোকিও ‘ধ্বংসাত্মক সামরিক পদক্ষেপের’ মুখে পড়বে। জবাবে শুক্রবার রাতেই চীনা রাষ্ট্রদূতকে তলব করে কড়া কূটনৈতিক বার্তা দিয়েছে জাপান।

দ্বিপাক্ষিক সংঘাতের এই আবহে শনিবার চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের সরকার সেদেশের নাগরিকদের জাপান ভ্রমণ স্থগিত রাখার 'পরামর্শ' দিয়েছে।

সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাইয়ে তাকাইচির মন্তব্যে। তিনি দেশটির পার্লামেন্টে বলেছিলেন, "চীন যদি তাইওয়ানে সেনা অভিযান চালায়, তবে জাপানের অস্তিত্বও সঙ্কটের মুখে পড়বে। সেক্ষেত্রে আমাদের পাল্টা সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।" তাঁর এই মন্তব্যের পরই বেইজিং ও টোকিওর মধ্যে চরম টানাপড়েন শুরু হয়।

উল্লেখ্য, গত তিন বছরে চীন একাধিকবার তাইওয়ান প্রণালী দিয়ে তাইওয়ানের জল ও আকাশসীমায় প্রবেশ করে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। বিশেষ করে, ২০২২ সালের অগাস্টে তৎকালীন মার্কিন স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। সে সময় তাইওয়ান প্রণালীতে চীনা ও আমেরিকান যুদ্ধজাহাজের পাশাপাশি জাপানি যুদ্ধজাহাজও প্রবেশ করেছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে প্রথমবার এমন ঘটনা। এই 'অনুপ্রবেশ' ঘিরেই দু’দেশের মধ্যে সংঘাতের শুরু।

ইএফ/