প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, মাঝ-আকাশেই হঠাৎ বিমানটির ইঞ্জিন শক্তি হারায়। পাইলট জরুরি অবতরণের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ রাখতে না পেরে বিমান সোজা গিয়ে পড়ে একটি চলন্ত গাড়ির ওপর। ধাক্কা এতটাই ভয়ংকর ছিল যে আশপাশের গাড়ি চালকরাও আতঙ্কে চিৎকার করে ওঠেন।
ফুটেজে দেখা যায়, এক নারী যাত্রী ভয়ে বলে উঠছেন, ‘ওহ মাই গুডনেস!’
জানা গেছে, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন ৫৭ বছর বয়সি এক নারী । তিনি হাইওয়ে ধরে স্বাভাবিকভাবে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই ওপর থেকে বিমান এসে পড়ে। হঠাৎ এই ঘটনায় তিনি পুরোপুরি হতভম্ব হয়ে পড়েন। কখনও কল্পনা করতে পারেননি যে এমন কোনো ঘটনা তার সঙ্গে ঘটতে পারে। তবে এত বড় দুর্ঘটনা থেকে তিনি প্রাণে বেঁচে যান। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
দুর্ঘটনার পর বিমানে আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে হাইওয়েজুড়ে আগুন ও কালো ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো সরিয়ে নিয়ে যেতে বেশ কিছুক্ষণ সময় লাগে। পাইলট ও সহযাত্রীর অবস্থা নিয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। বিমানটির ইঞ্জিন কেন হঠাৎ বিকল হলো, তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট বিমানের ইঞ্জিনে সমস্যা দেখা দিলে পাইলটরা সাধারণত ফাঁকা জায়গা বেছে জরুরি অবতরণ করেন। কিন্তু ব্যস্ত হাইওয়েতে নামতে গেলে বিপদের আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে এবং যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।