বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ১১৮তম সিন্ডিকেট সভায় শাস্তির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়। পরে সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য প্রফেসর ড. শওকাত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

বহিষ্কৃতরা হলেন: আব্দুল্লাহ আল মামুন ও রকি আহমেদ (দুই শিক্ষাবর্ষ), এবং আজিজুল হাকিম (এক শিক্ষাবর্ষ)। সতর্ক করা ৯ শিক্ষার্থী হলেন: মনিরুজ্জামান, গোলাম মোর্শেদ তামি, মেঘনাথ রায়, মাসুদ রানা, সাইদুর রহমান শাকিল, সুজন মিয়া, আকরাম আলি, ফাহিম ইসলাম ও ফরাদ হোসেন। তাদের অভিভাবকদেরও বিষয়টি জানানো হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো হলে আজীবন থাকার অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৩ নভেম্বর রাতে বাংলা বিভাগের ১৭ ব্যাচের কয়েক শিক্ষার্থীকে ‘ম্যানার শেখানো’র নাম ধরে হলে ছাদে ডেকে নেয়া হয়। সেখানে একই বিভাগের কিছু সিনিয়র শিক্ষার্থী নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ তুলে ১৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী মামুন ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী দ্বীন ইসলামকে কানে থাপ্পড় দেন। দ্বীন ইসলাম কান্নায় ভেঙে পড়লে আবাসিক শিক্ষার্থীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য বলেন, ‘ঘটনাটি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর আমরা অত্যন্ত মর্মাহত। র‍্যাগিং ও যৌন হয়রানির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে।’ তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। বুধবার সকাল ১১টায় শৃঙ্খলা কমিটিতে প্রতিবেদন জমা দেয়া হলে সর্বসম্মতভাবে শাস্তির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।