৯ম জাতীয় বেতন কাঠামোর (পে-স্কেল) প্রজ্ঞাপন জারি এবং জ্বালানি উপদেষ্টার সাম্প্রতিক বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবিতে নতুন বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’। সংগঠনটি জানিয়েছে, দাবি আদায়ে ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে আগামী ২৯ জানুয়ারি দেশের সব এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ পালন করা হবে। পরদিন ৩০ জানুয়ারি জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে কেন্দ্রীয় সমাবেশে অংশ নেওয়ার জন্য শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজীর স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এসব কর্মসূচির কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় বেতন কমিশন-২০২৫ গঠনের পর থেকে দফায় দফায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে চরমভাবে বিপর্যস্ত করেছে। এ অবস্থায় ৯ম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না হলে শিক্ষক-কর্মচারীদের পক্ষে সীমিত আয়ে পরিবার নিয়ে টিকে থাকা ক্রমেই কঠিন হয়ে পড়বে।
জোটের নেতারা প্রশ্ন তুলেছেন, পে-স্কেল বাস্তবায়নের কোনো অগ্রগতি না থাকলে জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করে রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করার যৌক্তিকতা কোথায়। তারা মনে করেন, প্রজ্ঞাপন জারিতে বিলম্ব শিক্ষকদের প্রতি চরম অবহেলারই বহিঃপ্রকাশ।
বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ঘোষিত কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট নিজস্ব কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এর অংশ হিসেবে ২৯ জানুয়ারি সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ এবং ৩০ জানুয়ারি সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশে সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে জোট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, আগামী ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যদি ৯ম পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারি না করা হয়, তবে ৫ ফেব্রুয়ারি সারাদেশের সব জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে। এ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের প্রতি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের চাপ আরও জোরদার করা হবে বলে নেতারা জানান।