অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভারতের সঙ্গে এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তবে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আরও মসৃণ সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য সরকার সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “বাণিজ্য ও রাজনীতি আলাদা বিষয়। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত থেকে চাল আনা অনেক সুবিধাজনক। যদি আমরা একই পরিমাণ চাল অন্য দেশে থেকে আনি, যেমন ভিয়েতনাম, তাহলে প্রতি কেজিতে খরচ প্রায় ১০ টাকা বেশি হবে।”

ড. সালেহউদ্দিন আরও বলেন, “ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক খুব খারাপ নয়। আমরা সচেষ্ট যে কোনো পরিস্থিতিতেই সম্পর্ক অস্বাভাবিক না হয়। প্রধান উপদেষ্টা নিজেও এই প্রচেষ্টায় সক্রিয়। বাংলাদেশ কোনো প্রতিবেশীর সঙ্গে বিরোধ বা তিক্ততা চায় না।”

তিনি জানান, কূটনৈতিক পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে যাতে সম্পর্ক স্বাভাবিক থাকে। “আমরা চাই, দুই দেশের মধ্যে বোঝাপড়া বজায় থাকুক। বাণিজ্য সচল রাখার পাশাপাশি রাজনৈতিক আলোচনাও সুষ্ঠুভাবে এগিয়ে যাক। এটা দেশের অর্থনীতি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ,” তিনি যোগ করেন।

বিশ্লেষকরা মনে করেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। বিশেষ করে ভারত বাংলাদেশের প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার হওয়ায় সমঝোতা ও সহযোগিতা বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

ড. সালেহউদ্দিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “সঠিক কূটনৈতিক পদক্ষেপের মাধ্যমে আমরা দ্রুতই রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও মসৃণ করতে পারব। আমাদের লক্ষ্য হলো বাণিজ্য ও রাজনৈতিক যোগাযোগ—দুটোই সচল রাখা।”