জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) নির্বাচন ঘিরে বিভিন্ন প্যানেলের বিরুদ্ধে “টাকার খেলা”য় জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল। মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রফিক ভবনের নিচে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্যানেলের নেতারা অভিযোগের নানা দিক তুলে ধরেন।
প্যানেলের জিএস প্রার্থী ফয়সাল মুরাদ বলেন, জকসু নির্বাচনে অংশ নেওয়া দেশের অন্যতম বৃহৎ ছাত্রসংগঠন প্রকাশ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন এ বিষয়ে নীরব দর্শকের মতো ভূমিকা পালন করছে।
তিনি অভিযোগ করেন, “একটি সংগঠন আস সুন্নাহ হলের প্রায় দুই শ শিক্ষার্থীকে রিসোর্টে নিয়ে অনুষ্ঠান করেছে। আরেকটি সংগঠন শিক্ষার্থীদের স্টার কাবাবে দাওয়াত দিয়ে নিজেদের নির্বাচনী সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করছে। জকসু নির্বাচনকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পর্যায়ে নামিয়ে আনা হচ্ছে।”
ফয়সাল মুরাদ বলেন, আগে দেখা গেছে ডাকসুতে নির্বাচিত অনেক নেতা কোটি টাকার ব্যয় করেছেন এবং পরে জাতীয় নির্বাচনের প্রচারণায় সক্রিয় হয়েছেন। একই চিত্র জকসুতেও দেখা যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে উদ্দেশ করে বলেন, “উত্তর ও দক্ষিণ পাড়ার প্রভাবমুক্ত হয়ে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করতে হবে। নয়তো শিক্ষার্থীদের আস্থা ধরে রাখা সম্ভব হবে না।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এজিএস প্রার্থী শাহিন মিয়া ও প্যানেলের অন্যান্য সদস্যরা। জকসু ভোট ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসে উত্তেজনাও বাড়ছে।