স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চারজন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা, দুইজন ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহায়ক রয়েছেন। বরখাস্তের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, সরকারি নিয়ম অমান্য করে ‘সচিবালয় ভাতার’ দাবিতে তারা আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের উপসচিব ইসরাইল হোসেন স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনায় ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার কার্যালয়ে একটি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ডিসেম্বর সচিবালয়ে বিক্ষোভ চলাকালীন শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ১২ ডিসেম্বর দাখিলকৃত শাহবাগ থানার ৮ নম্বর মামলায় মো. রোমান গাজী (প্রশাসনিক কর্মকর্তা), মো. আবু বেলাল (অফিস সহায়ক), মো. মহসীন আলী ও মো. তাইফুল ইসলাম (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা) গ্রেপ্তার হন। এরপর প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ জারি করা হয়েছে। বরখাস্ত কার্যকর হয়েছে গ্রেপ্তারের তারিখ ১২ ডিসেম্বর থেকে।
অফিস আদেশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বরখাস্তকৃত কর্মকর্তারা সাময়িক বরখাস্তকালে নিয়ম অনুযায়ী খোরপোষ ভাতা পাবেন। আদেশটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের মাধ্যমে জারি করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকারি কর্মচারীদের কর্মকাণ্ডে নৈতিকতা ও নিয়মকানুন বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক বরখাস্তের মাধ্যমে সরকারীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা হচ্ছে।
এ ঘটনায় স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ভূমিকা ও আচরণ নিয়ে সচিবালয়ে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে অন্যান্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদেরও সরকারি নির্দেশনা ও শৃঙ্খলা মেনে কাজ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।