হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার এয়ারপোর্ট মিনি ফায়ার এক্সারসাইজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মহড়ার মূল লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী বিমানবন্দরে দুর্ঘটনাপ্রবণ পরিস্থিতিতে অগ্নিনিরাপত্তা, জরুরি প্রতিক্রিয়া, অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর সমন্বয় এবং প্রতিক্রিয়ার সময় মূল্যায়ন করা।

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক নির্দেশনা অনুসরণে এই মহড়া সম্পন্ন হয়। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ মহড়ার তত্ত্বাবধান করেন। এতে অংশগ্রহণ করে বিমানবন্দরের বিভিন্ন সংস্থা, যেমন এয়ারপোর্ট ফায়ার সার্ভিস (ফায়ার ভেহিকেল ও অ্যাম্বুলেন্স), এভসেক, বেবিচক ফ্লাইট সেফটি, এপিবিএন, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল, এয়ারপোর্ট থানা, ডিরেক্টর ফায়ার, এয়ারপোর্ট স্বাস্থ্য বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য এজেন্সি।

বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ফায়ার ইউনিট, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের দুটি ইউনিট (দিয়াবাড়ি ও উত্তরা) এবং বিভিন্ন হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স (জাহানারা ক্লিনিক, ওমেনস মেডিকেল কলেজ, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল) মহড়ায় অংশ নেয়।

মহড়াটি ড্রাই এক্সারসাইজ হিসেবে আয়োজন করা হয়, যেখানে আগুন প্রজ্বলন না করে অগ্নিনির্বাপণ প্রতিক্রিয়া, সমন্বয়, যোগাযোগ এবং অপারেশনের গতিশীলতা পরীক্ষা করা হয়। বিশেষভাবে বিমানবন্দরের জেনারেল এভিয়েশন এলাকা মহড়ার স্থান হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।

ঘটনা ভিত্তিক অভ্যাসে, এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারে আগুন সংক্রান্ত কল আসার সঙ্গে সঙ্গে ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার সক্রিয় করা হয়। ফায়ার টেন্ডার ও অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের কার্যকারিতা পর্যালোচনা করে মহড়া সফলভাবে সম্পন্ন করে।