দক্ষিণ আন্দামান সাগর ও এর তৎসংলগ্ন এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে এখন সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। লঘুচাপটি পশ্চিম–উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরও শক্তিশালী হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর।

রোববার (২৩ নভেম্বর) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক নিয়মিত পূর্বাভাসে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, উপসাগরের এই আবহাওয়া ব্যবস্থাটি ধীরে ধীরে আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। ভোরের দিকে দেশের বিভিন্ন স্থানে হালকা কুয়াশা পড়তে পারে। রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।

আগামী সোমবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় একই ধরনের আবহাওয়া পরিস্থিতি বজায় থাকবে। ভোরের দিকে হালকা কুয়াশা পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাতে তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে দিনের তাপমাত্রায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে না।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) এবং বুধবার (২৬ নভেম্বর)ও একই পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ দুই দিনে রাতের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে; দিনের তাপমাত্রা থাকবে প্রায় স্থিতিশীল। ভোরে কিছু অঞ্চলে হালকা কুয়াশা দেখা যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) থেকে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আগামী পাঁচ দিনের আবহাওয়ায় খুব বড় ধরনের পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আবহাওয়ার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই লঘুচাপ যদি আরও ঘনীভূত হয়, তাহলে তা পরবর্তী কয়েক দিনে নিম্নচাপ বা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। তবে তা ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা এখনই নিশ্চিত নয়।

সামুদ্রিক এলাকাসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলেদের আপাতত কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবে লঘুচাপের দিক ও শক্তি পরিবর্তন পরিস্থিতি বদলে দিতে পারে বলে সংশ্লিষ্টদের নিয়মিত আবহাওয়া বার্তা অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।