ঢাকায় শুক্রবার সকালেই অনুভূত শক্তিশালী ভূমিকম্পের প্রভাব রাজধানীর আরমানিটোলায় পড়েছে। কম্পনের মাত্রার প্রভাবে একটি বহুতল ভবন ধসে পড়ে। স্থানীয়রা আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ স্থানে চলে আসেন। উদ্ধার ও উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিসের দুই ইউনিট এখনই ঘটনাস্থলে কাজ করছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনের ভেতরে কেউ আটকা পড়লে তাৎক্ষণিক উদ্ধার করতে তৎপর হন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। ফায়ার সার্ভিস এবং পুলিশ প্রশাসন দুর্গত এলাকায় মানুষদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনছেন।

এ ধরনের ঘটনা ঢাকার বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্পের প্রভাব কতটা মারাত্মক হতে পারে তা আবারও প্রমাণ করেছে। ভূমিকম্পের শুরু সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে, যার ফলে শহরের বিভিন্ন বহুতল ভবন দুলতে থাকে। তীব্র কম্পনের মাত্রা প্রাথমিকভাবে ৫.৭ রিখটার স্কেলে ধরা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় ভবনের মধ্যে থাকা মানুষজন দ্রুত নিচে নেমে আসেন। “আমি তখন ঘরে ছিলাম। হঠাৎ অনুভব করলাম পুরো মেঝে দুলছে, কিছুক্ষণ পর দেখলাম পাশে থাকা দেয়াল থেকে ধ্বংসস্তূপ পড়ছে। সবাই আতঙ্কিত হয়ে বাইরে আসি,বর্ণনা দিয়েছেন আরমানিটোলার এক বাসিন্দা।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, ভূমিকম্পের পর ভবনের নিরাপত্তা যাচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আরও কোনো ধস বা দুর্ঘটনা না ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে এবং ধ্বংসস্তূপ থেকে সম্ভাব্য আহতদের দ্রুত বের করা হবে। পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং নিরাপদ এলাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে।