রোববার (৩০ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিক্যাব আলাপনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, তার স্ট্যাটাস স্পর্শকাতর, তবে সরকারের কোনো বাধা নেই। তিনি দেশে আসতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাকে ওয়ান টাইম পাস দিবে। চাইলে এক দিনের মধ্যে ট্রাভেল পাস ইস্যু করবে অন্তর্বর্তী সরকার। তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে অন্য দেশের কোনো প্রতিবন্ধকতা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, লন্ডনে তিনি কোন স্ট‍্যটাসে আছেন, তা জানে না সরকার। তিনি দেশে ফিরতে চাইলে অন্য কোনো দেশ তা আটকাতে পারে, সেটি অস্বাভাবিক। আর বাংলাদেশ যদি তার কোনো নাগরিককে দেশে ফেরত আনতে চায়, তবে অন্য দেশ কীভাবে তাতে বাধা দিতে পারে?

এরআগে, শনিবার (২৯ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে সরকারের অবস্থান জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। প্রেস সচিব তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেয়া পোস্টে লেখেন, তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে সরকারের কোনো বিধিনিষেধ নেই। বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে শফিকুল আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করে সময় সংবাদ। ফোনে তিনি আরও বলেন, উনি (তারেক রহমান) যখন ইচ্ছা বাংলাদেশে ফিরতে পারেন। তিনি বাংলাদেশের বড় রাজনৈতিক দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। উনি উনার মতো সিদ্ধান্ত নেবেন। এরআগে এক ফেসবুক পোস্টে তারেক রহমান লেখেন, এখনই দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ আমার একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। বিষয়টিকে স্পর্শকাতর ও বিস্তারিত জানানোর সুযোগ সীমিত উল্লেখ করে তিনি লেখেন, রাজনৈতিক বাস্তবতার এই পরিস্থিতি প্রত্যাশিত অবস্থায় উপনীত হলেই তিনি দেশে ফিরবেন।