ঢাকা, ৯ ডিসেম্বর: গত দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ২৭ নভেম্বর তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তিনি সিসিইউতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

দেশি ও বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ডের অধীনে তার চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি বড় ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান প্রতিদিন হাসপাতালে আসা-যাওয়া করে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার তদারকি করছেন।

বিএনপির চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের মতোই অপরিবর্তিত। নিয়মিত তার কিডনি ডায়ালাইসিস চলছে। এছাড়া ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, লিভারসহ অন্যান্য সমস্যাগুলোও অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিএনপির একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ঢাকা পোস্টকে বলেন, “ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা আগের মতোই আছে।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বিএনপি চিকিৎসক বলেন, “বলার মতো তেমন কোনো উন্নতি নেই। চিকিৎসা চলছেই, আল্লাহ যেন উনাকে সুস্থ করে দেন।”

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়া বর্তমানে নিরাপদ নয়। “সার্বিক বিবেচনায় তার শারীরিক অবস্থা লন্ডন যাওয়ার মতো নয়, তাই তিন দফায় তার লন্ডন যাত্রা পিছিয়ে গেছে। আপাতত দেশেই চিকিৎসা চলবে,” জানান চিকিৎসকরা।

এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, “ম্যাডামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নেওয়ার যে পরিকল্পনা ছিল, আপাতত তা হচ্ছে না। শারীরিক অবস্থা উন্নতি হলে পরে নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”