বড়দিন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি মানবপ্রেম, ক্ষমা ও ন্যায়ের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে একটি শান্তিপূর্ণ ও বৈষম্যহীন সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক শুভেচ্ছা বার্তায় তারেক রহমান বলেন, বড়দিন খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ ও পবিত্র ধর্মীয় উৎসব। এ উপলক্ষ্যে তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রত্যেকের জীবনে সুখ, শান্তি, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, ক্ষমা, করুণা ও মানবকল্যাণের প্রতীক যিশু খ্রিষ্ট এই দিনে পৃথিবীতে আবির্ভূত হয়েছিলেন। মানুষের মধ্যে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও সম্প্রীতির বাণী ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল তাঁর জীবনের মূল দর্শন। যিশু খ্রিষ্ট মানুষের সেবা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং ন্যায়ের প্রতিষ্ঠাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন, যা আজও মানবসমাজের জন্য প্রাসঙ্গিক।
তারেক রহমান বলেন, পৃথিবীর সব ধর্মের মূল শিক্ষা এক—মানুষের কল্যাণ ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা। ধর্ম, বর্ণ কিংবা সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবাইকে দেশ ও মানুষের স্বার্থে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সমাজে বিদ্বেষ, হিংসা ও অসহিষ্ণুতা পরিহার করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি জোরদার করাই সময়ের দাবি।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক ঐতিহ্যবাহী দেশ। এখানে সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে স্বাধীনভাবে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছে। বড়দিনের মতো উৎসবগুলো এই সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে এবং সামাজিক ঐক্যকে শক্তিশালী করে।
শুভেচ্ছা বার্তার শেষাংশে তারেক রহমান বলেন, ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে মহামানবদের জীবনদর্শন থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তবেই ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে শান্তি ও কল্যাণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তিনি বড়দিনের সব আয়োজন ও কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।