বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চূড়ান্ত নিলাম তালিকা থেকে ফিক্সিং সন্দেহে বাদ পড়েছেন একাধিক ক্রিকেটার। এর মধ্যে রয়েছেন এনামুল হক বিজয় ও মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতও। শনিবার (২৯ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানান বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু। তিনি স্পষ্ট করে জানান, খেলোয়াড়রা প্রতিক্রিয়া দেখালেও বোর্ড তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকবে।
মিঠু বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত কেউ দোষী প্রমাণিত না হয়, আমরা কাউকে দোষী বলতে পারি না। তবে যেহেতু তারা লাল তালিকাভুক্ত, আর আমরা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি—তাই তারা নিলামে থাকতে পারবে না।
তিনি জানান, শুধু খেলোয়াড় নয়, দলগুলোকে হোটেল স্টাফ থেকে শুরু করে ড্রেসিংরুমে থাকা প্রত্যেকের নামের তালিকাও দিতে হবে। এই তালিকাও দুর্নীতি দমন ইউনিটের ছাড়পত্র ছাড়া গ্রহণযোগ্য হবে না।
বিজয়–মোসাদ্দেকদের প্রতিক্রিয়া প্রসঙ্গে মিঠু বলেন, প্রতিক্রিয়া দেখানো তাদের অধিকার। তবে গভর্নিং কাউন্সিল হিসেবে আমাদের এখতিয়ারও আছে। যেমন ইনজুরি থাকলে তালিকায় রাখি না, তেমনি লাল তালিকাভুক্তদেরও রাখব না—এটা আমাদের নীতিগত সিদ্ধান্ত।
তিনি আরো বলেন, ক্রিকেটারকে নিলামে রাখতে বাধ্য নই। বিদেশি ৫০০ জন আবেদন করেছিল, তাদের মধ্য থেকে ২৬০ জনকে নিয়েছি। এটি সম্পূর্ণ গভর্নিং কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত।
যদিও বিসিবি এখনই বাদ পড়া খেলোয়াড়দের দোষী বলতে নারাজ।
মিঠু বলেন, আমরা বলছি না তারা দোষী। বিষয়টি দুর্নীতি দমন ইউনিটের কাছে পাঠানো হয়েছে। বিশ্বসেরা অভিজ্ঞ কর্মকর্তা অ্যালেক্স মার্শাল সেটি দেখছেন। সন্দেহের তালিকায় থাকা অবস্থায় তাদের খেলতে দিলে ক্রিকেটের জন্য খারাপ বার্তা যায়।