দুটি ম্যাচের নির্বাসিত শুরু কাটিয়ে আবারো নিজের কাতারে ফিরে এলেন সাকিব আল হাসান। আইএল টি-টোয়েন্টির রোববারের ম্যাচে ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে ব্যাটে-বলে দারুণ অবদান রেখে ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতলেন এই বাঁহাতি অলরাউন্ডার। নিজেকে প্রমাণ করলেন—“ফর্ম ইজ টেম্পোরারি, ক্লাস ইজ পার্মানেন্ট”।
ভাইপার্সের প্রথম উইকেট নেন সাকিব। ফখর জামানকে নিকোলাস পুরানের হাতে ক্যাচ করিয়ে প্রথম ওভারেই বল হাতে দারুণ প্রভাব ফেলেন। তার পরই দ্বিতীয় ওভারে ফেরান স্যাম কারানকে। মোট চার ওভার বল করে মাত্র ১৪ রান দেন, কোনো বাউন্ডারি হজম করেননি এবং ১২টি ডট বল দেন। বোলিং পারফরম্যান্সে এই ধারাবাহিকতা দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ব্যাট হাতে নেমে ১২৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করার সময় চার উইকেট হারানোর পর ক্রিজে নেমে ১৭ রান করে অপরাজিত থাকেন। এই ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংসের মাধ্যমে দলের জয় নিশ্চিত হয়। এমআই এমিরেটসের হয়ে দলের ভরসা হয়ে উঠেন সাকিব।
এই জয়ে, আইএল টি-টোয়েন্টিতে ৪৫তমবার ম্যাচসেরার স্বীকৃতি পেলেন সাকিব। এই সংখ্যায় তিনি রশিদ খান ও অ্যালেক্স হেলসের পাশে অবস্থান করে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে উঠে আসেন। সাকিব ৪৬৫টি ম্যাচ খেলেছেন, আর রশিদ ও হেলস যথাক্রমে ৫০৪ ও ৫২৪ ম্যাচে ৪৫ বার ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন।
এই তালিকায় সাকিবের উপরে আছেন মাত্র তিনজন। যৌথভাবে ৪৮ বার ম্যাচসেরার পুরস্কার পাওয়া গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ও কিয়েরন পোলার্ড এবং সর্বোচ্চ ৬০ বার ম্যাচসেরার খেতাব জিতে থাকা ক্রিস গেইল।
পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে সাকিব বলেছেন, “পিচ স্পিনের জন্য সহায়ক ছিল, ব্যাটিং করাও সহজ ছিল না। দলের অন্যান্য ব্যাটাররা শক্তিশালী হওয়ায় আমি সতর্ক ছিলাম। সব মিলিয়ে দলের পারফরম্যান্সে আমি সন্তুষ্ট।” এই ম্যাচে তার ব্যাট-বল দুয়ের অবদান নিউজের শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে, নিশ্চিত করেছে তার ক্লাস অচল এবং সময়ের পরীক্ষা সামলে যাচ্ছিল।