আগেই টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিকে বিদায় বলা ৩৭ বছর বয়সি কোহলির ওয়ানডে ক্যারিয়ারও শেষ কি না, এই প্রশ্ন উঠেছিল অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ডাক মারার পর। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এর আগে কখনও টানা দুই ম্যাচে শূন্য রানে আউট হননি। তবে পরের ম্যাচেই রানে ফেরেন। অস্ট্রেলিয়ায় অপরাজিত ৭৪-এর পর ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টানা দুই ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন। রাঁচিতে ১৩৫ করার পর রাইপুরে করেন ১০২। বিসাখাপট্টমেও হয়তো সেঞ্চুরি করতে পারতেন, ৬৫ রান নিয়ে অপরাজিত থেকে দলকে জেতান তিনি।

কোহলির এই ফর্ম তাকে ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিংয়ের দুই ধাপ এগিয়ে দিয়েছে। এক নম্বরে থাকা থাকা রোহিত শর্মার (৭৮১) সঙ্গে তার রেটিং পয়েন্টের পার্থক্য মাত্র ৯। দারুণ ফর্মের কারণেই বলতে হয়, রোহিতকে সরিয়ে সিংহাসনটা দখলে নিয়ে নিতে পারেন কোহলি। ওয়ানডে ব্যাটারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে এগিয়েছেন লোকেশ রাহুলও। দুই ধাপ আগানো এই উইকেটরক্ষকের স্থান এখন ১২ নম্বরে। বোলারদের মধ্যে কুলদীপ যাদব তিন ধাপ এগিয়ে তিনে।


অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট শেষে ক্যারিয়ার সেরা রেটিং পয়েন্ট পেয়েছিলেন মিচেল স্টার্ক। দ্বিতীয় টেস্ট শেষে সেই রেকর্ড আবার ভাঙলেন। এবার ক্যারিয়ারসেরা অবস্থানও অর্জন করেছেন তিনি। গ্যাবায় ৮ উইকেট নিয়ে ৩ নম্বরে উঠে এসেছেন, রেটিং পয়েন্ট ৮৫২। এই ম্যাচে এক ইনিংস ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ৭৭টি রানও করেছেন তিনি। ফলস্বরূপ অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১ ধাপ এগিয়ে সেরা পাঁচে ঢুকেছেন।
কুটাকে ভারতের বিপক্ষে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথম টি-টোয়েন্টিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি। ১৭৫ রানের জবাবে গুটিয়ে গেছে মাত্র ৭৪ রানে। এই ম্যাচে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২২ রান করেছিলেন দেওলাদ ব্রেভিস। ১৪ বলের এই ইনিংস দিয়ে ৩ ধাপ এগিয়ে ৮ নম্বরে উঠে এসেছেন। বোলারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে অক্ষর প্যাটেল ১৩, আর্শদীপ সিং ২০ ও জাসপ্রিত বুমরাহ ২৫ নম্বরে উঠে এসেছেন।