টেস্ট সিরিজে একতরফা হারের ক্ষত এখনো তাজা আয়ারল্যান্ডের। তবে লাল বলের ব্যর্থতা ভুলে নতুন করে ছন্দ ফেরানোর লক্ষ্য নিয়েই আজ তিন ম্যাচের টি–টোয়েন্টি সিরিজে নামছে তারা। সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগে দলটির ক্রিকেটাররা জানিয়ে দিলেন এই ফরম্যাটে তারা সম্পূর্ণ ভিন্ন চেহারার।

ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে অলরাউন্ডার কার্টিস ক্যাম্ফার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ব্যাটিং ও বোলিং দুই বিভাগেই আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা থাকছে তাদের। তাঁর ভাষায়, “ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে আমরা সামনে থেকেই চাপ তৈরি করতে চাই। ইতিবাচক ও আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলাই আমাদের লক্ষ্য। আর বোলিং ইউনিট হিসেবে সিরিজে ৩০ উইকেট নেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। বিশ্বকাপের আগে এখান থেকে আমরা দরকারি কম্বিনেশন খুঁজে নিতে পারব বলে বিশ্বাস করি।”

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে আরেক আইরিশ তারকা হ্যারি টেক্টরের কৌশলগত মন্তব্য বাংলাদেশকে দ্রুত চাপে ফেলতে হলে অধিনায়ক লিটন দাসকেই ফিরিয়ে দিতে হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। টেক্টর বলেন, “লিটন দাস অসাধারণ প্রতিভাবান। যে কোনো ফরম্যাটে ম্যাচ ঘুরিয়ে দিতে পারে। তাই আলাদা করে কাউকে টার্গেট করলে সেটা লিটনই হবে। তাকে দ্রুত ফেরাতে পারলে আমরা মানসিকভাবে এগিয়ে থাকব।”

বাংলাদেশি বোলিং আক্রমণের দিকেও সমীহ দেখিয়েছেন টেক্টর। বিশেষ করে মুস্তাফিজুর রহমানের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “মুস্তাফিজ বিশ্বমানের টি–টোয়েন্টি বোলার। ওকে সামলানো সবসময়ই চ্যালেঞ্জ। তবুও আমরা তাদের অনেক বোলারের বিপক্ষে খেলেছি। আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া ম্যাচগুলোতে আমরা একে অন্যকে ভালোভাবেই চিনি। ম্যাচের দিনে সেরা প্রস্তুতি নিয়েই নামব।”

টি–টোয়েন্টি সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য বিশ্বকাপের প্রস্তুতি পর্ব, আর আয়ারল্যান্ডের জন্য টেস্ট হারের ক্ষত সারানোর সুযোগ। সিরিজের প্রথম ম্যাচেই দুই দলের আক্রমণাত্মক পরিকল্পনা কতটা বাস্তবে রূপ নেয় সেদিকেই এখন নজর ক্রিকেটপ্রেমীদের।