২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের প্রস্তুতি শুরু করতে ইতোমধ্যে পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। বিশ্বকাপের আগে মার্চে ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে সেলেসাওদের। যদিও নির্দিষ্ট তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি।

গত শুক্রবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ ড্র অনুযায়ী ব্রাজিল ‘সি’ গ্রুপে পড়ে মরক্কো, হাইতি ও স্কটল্যান্ডের সঙ্গে। গ্রুপপর্বে তুলনামূলকভাবে সহজ প্রতিপক্ষ পেয়ে সুখী সেলেসাওরা মরক্কোর বিপক্ষে বিশ্বকাপ যাত্রা শুরু করবে। তবে আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মতো শক্তিশালী প্রস্তুতি নিতে ইউরোপীয় দুই দলকে মুখোমুখি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের (সিবিএফ) সভাপতি সামির দাউদ জানিয়েছেন, “ফ্রান্স ও ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ আমাদের পরিকল্পনার অংশ। এখন কেবল তারিখ চূড়ান্ত করার বাকি আছে।” ফ্রান্সও মার্চ উইন্ডোর জন্য তাদের প্রতিপক্ষ ঘোষণা করেছে। ২০১৮ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ব্রাজিলের সঙ্গে খেলার প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই শুরু করেছে। ফ্রান্সের দুই লাতিন জায়ান্টের বিপক্ষে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ও ফ্লোরিডায়, সম্ভাব্য সময়সীমা ২৩ থেকে ৩১ মার্চ।

ফ্রান্সের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার শেষ স্মৃতি ২০০৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের। তখন ফ্রান্স ১-০ ব্যবধানে ব্রাজিলকে বিদায় করেছিল। অন্যদিকে ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে টাইব্রেকারের মাধ্যমে ব্রাজিল হারলেও তার আগে সেলেসাওরা দুইবার মুখোমুখি হয়ে জয় পেয়েছিল।

ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আরও অন্তত দুটি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছেন। একটিতে ঘরের মাঠে ঐতিহাসিক মারাকানায় খেলা হতে পারে, আরেকটি হবে যুক্তরাষ্ট্রে। প্রীতি ম্যাচগুলো মূলত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর সঙ্গে সমন্বয় ও কৌশল পরীক্ষার জন্য।

বিশ্বকাপ শুরুর আগে এমন শক্তিশালী প্রীতি ম্যাচ আয়োজন ব্রাজিলকে আন্তর্জাতিক ম্যাচের রিদম ও প্রস্তুতির দিক থেকে বড় সুবিধা দেবে, আশা করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।