১৬ ডিসেম্বর বসুন্ধরা কিংস ও মোহামেডানের মধ্যকার ম্যাচটি কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে বিজয় দিবস উপলক্ষে স্টেডিয়ামে সরকারি অনুষ্ঠান থাকায় সেখানে খেলা আয়োজন সম্ভব হচ্ছে না। ফলে লিগ কমিটির সিদ্ধান্তে ম্যাচটি সরিয়ে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে নেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের আগস্টে জাতীয় স্টেডিয়ামে সংস্কার কাজ শুরুর পর ২০২৫ সালের ৪ জুন বাংলাদেশ–ভুটান আন্তর্জাতিক ম্যাচ দিয়ে মাঠটি পুনরায় চালু হয়। কিন্তু ঘরোয়া ফুটবলের কোনো ম্যাচ সেখানে এখনো অনুষ্ঠিত হয়নি। বিশেষ পরিস্থিতির কারণে কিংস–মোহামেডান ম্যাচ দিয়ে দীর্ঘদিন পর স্টেডিয়ামে ঘরোয়া ফুটবল ফিরছে।

ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান অনেক দিন পর জাতীয় স্টেডিয়ামে খেলতে নামবে। সমর্থকদের উপস্থিতির সম্ভাবনা থাকলেও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ম্যাচটি দর্শকশূন্য করার প্রস্তাব দিয়েছে বাফুফে। তাদের যুক্তি—১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস হওয়ায় পর্যাপ্ত পুলিশ পাওয়া কঠিন হতে পারে এবং বড় সমাগম নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন ব্যয়বহুল হওয়ায় অতিরিক্ত আর্থিক বোঝাও থাকবে। বিষয়টি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া লিগ কমিটির সভায় প্রিমিয়ার লিগের দ্বিতীয় স্তর চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ নিয়েও আলোচনা হয়। গত মৌসুমের সাত দলের সঙ্গে নতুন তিন ক্লাব—খেলাঘর, চট্টগ্রাম সিটি ফুটবল ক্লাব ও শুকতারা নারায়ণগঞ্জ—লিগে অংশগ্রহণের অনুমতি পেয়েছে। নারায়ণগঞ্জের শুকতারা দীর্ঘদিন পর আবার ফুটবলে ফিরে আসছে। নতুন ক্লাব নিবন্ধনের ফি ৫০ লাখ থেকে কমিয়ে ১৫ লাখ টাকায় আনা হয়েছে। ২২ ডিসেম্বর থেকে দলবদল শুরু হওয়ার কথা।

আজকের মিটিংটি নির্ধারিত বাফুফে ভবনের বদলে লিগ কমিটির চেয়ারম্যান ইমরুল হাসানের অফিসে অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির কয়েকজন সদস্য অনলাইনে যুক্ত হলেও একজন উপস্থিত থাকতে পারেননি। সাম্প্রতিক সময়ে বাফুফের গুরুত্বপূর্ণ সভা ও আন্তর্জাতিক ম্যাচে ইমরুল হাসানের অনুপস্থিতি নিয়েও আলোচনা চলছে।