রোববার (৭ ডিসেম্বর) আএল টি-টোয়েন্টিতে এমআই এমিরেটস ও শারজাহ ওয়ারিয়র্সের মধ্যকার ম্যাচে দেখা যায় এমন দৃশ্য। মূলত কাইরন পোলার্ডকে নামানোর জন্যই ১৬তম ওভারে সাকিব আল হাসানকে ‘ট্যাটকিক্যাল রিটায়ার্ড আউট’ করে উঠিয়ে নেয় এমআই এমিরেটস। 

তখন তার সাকিবের নামের পাশে ২ চারে ১২ বলে ১৬ রান। আর এমআই এমিরেটসের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ১২৯ রান। সাকিব ফিরে যাওয়ার পর গোল ক্যাপ মাথায় পরে ব্যাট করতে নামেন এমআই অধিনায়ক কাইরন পোলার্ড। তবে সাকিবের জায়গায় ব্যাটিংয়ে নেমে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি পোলার্ড। প্রথম বলে চার মেরে দ্বিতীয় বলেই আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। 

এদিন টস হেরে আগে ব্যাট করতে নামে এমআই। ১১তম ওভারের শেষ বলে আউট হন মোহাম্মদ ওয়াসিম। আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৯ বলে ৩৯ রান। এর আগেই ড্রেসিং রুমে ফেরেন জনি বেয়ারস্টো। তার ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ৩৭ রান। আর নিকোলাস পুরান ফেরেন ১২ বলে ৫ রান করে।  তৃতীয় উইকেট পতনের পর ব্যাট করতে নামেন সাকিব আল হাসান। সিকান্দার রাজার দুটি বল ডট খেলার পর তিন নম্বর ডেলিভারিতে মারেন বাউন্ডারি। পরে রশিদ খানের বলে লফটেড ড্রাইভে কাভার দিয়ে মারেন দ্বিতীয় চার। 

এরপর আরও ৬ বল খেলে ৭ রান নেন সাকিব। তবে কোনো বাউন্ডারি মারতে পারেননি। ১৬তম ওভার শেষ হওয়ার পর দেখা যায় মাঠ ছেড়ে বের হয়ে যাচ্ছেন তিনি। ধারাভাষ্যকার মাইক হেইসমেন তখন বলেন, সাকিবকে ট্যাকটিক্যাল রিটায়ার্ড আউট করে নিয়েছে এমআই।  শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৮৫ রান করে এমআই এমিরেটস। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শারজাহ ওয়ারিয়র্সের ইনিংস থাকে ৭ উইকেটে ১৮১ রানে। আর তাতেই ৪ রানের জয় পায় সাকিবের এমআই এমিরেটস। ১০ বলে অপরাজিত ৩১ ও ১ উইকেট নিয়ে ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন রোমারিও শেফার্ড।