রোববার (৩০ নভেম্বর) পাঞ্জাবের হয়ে বেঙ্গলের বিপক্ষে ঝড় তুলেছিলেন অভিষেক। সেঞ্চুরি হাঁকানোর পথে ৮টি চারের সঙ্গে হাঁকিয়েছেন ১৬টি ছক্কা। আর তাতে ভারতীয়দের মধ্যে এক পঞ্জিকাবর্ষে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ড গড়েছেন এই বাঁহাতি।
ভারতীয়দের মধ্যে স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে যৌথভাবে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড অভিষেকেরই দখলে। গত বছর সৈয়দ মুশতাক আলী ট্রফিতেই মেঘালয়ের বিপক্ষে ২৮ বলে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন এই বাঁহাতি। আজ সে রেকর্ডকেও হুমকির মুখে ফেলে দিয়েছিলেন তিনি।
হায়দরাবাদের জিমখানা গ্রাউন্ডে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে ১২ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন। ৫টি করে চার ও ছয় ও একটি সিঙ্গেলে তিনি অর্ধশতক পূর্ণ করেন, ডট খেলেন মাত্র একটি। প্রথম ৫১ রানের পঞ্চাশই এসেছে বাউন্ডারি থেকে।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এটি তৃতীয় দ্রুততম হাফ সেঞ্চুরি। নেপালের দীপেন্দ্র সিং এইরি ৯ বলে, ভারতের আশুতোষ শর্মা ১১ বলে অর্ধশতক করেছেন। অভিষেক আর যুবরাজ সিংয়ের লেগেছে ১২ বল।
পরের পঞ্চাশ রান পূর্ণ করতে অপেক্ষাকৃত বেশি বল খেলতে হয়েছে। ২০ বলে করেছেন পরের পঞ্চাশ রান।
শেষ পর্যন্ত অভিষেক ১৮তম ওভারে আউট হয়েছেন ৫২ বলে ১৪৮ রান করে। এটি ভারতীয়দের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ইনিংস। ২০২৪ সালে এই টুর্নামেন্টেই মেঘালয়ের বিপক্ষে তিলক ভার্মা ৬৭ বলে ১৫১ রান করেছিলেন (হায়দরাবাদের হয়ে)।
তিলকের রেকর্ড ভাঙতে না পারলেও ছক্কার নতুন রেকর্ড ঠিকই গড়েছেন অভিষেক। আজকের ১৬ ছক্কাসহ ২০২৫ সালে ৩৩ ইনিংসে ৯১টি ছক্কা হাঁকিয়েছেন এই বাঁহাতি। ভেঙেছেন নিজেরই রেকর্ড। ২০২৪ সালে ৩৮ ইনিংসে হাঁকিয়েছিলেন ৮৭টি ছক্কা।
অভিষেকের দুর্দান্ত ইনিংসে বড় জয় পেয়েছে পাঞ্জাব। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ৩১০ রান করে। জবাবে অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণের ৬৬ বলে ১৩০ রানের পরও বেঙ্গল ৯ উইকেটে ১৯৮ রানেই আটকে যায়।